কারণ ছাড়াই বাড়ছে জেমিনি সি ফুডের শেয়ারদর

সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেমিনি সি ফুড পিএলসির শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেমিনি সি ফুড পিএলসির শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। এর পেছনে কোনো ধরনের মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে গত ২ জুলাই জেমিনি সি ফুডের শেয়ারদর ছিল ১৪৫ টাকা ৬০ পয়সা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৭৮ টাকা ৬০ পয়সায়। এ সময়ে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ২২ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) জেমিনি সি ফুডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৩০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যেখানে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬ টাকা ৪৫ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৩১ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে জেমিনি সি ফুডের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৬৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ৮৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৬৯ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ ও ৭৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে জেমিনি সি ফুডের ইপিএস হয়েছে ১৫ টাকা ৪৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ৬১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৩ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে জেমিনি সি ফুড। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ (উদ্যোক্তা ও পরিচালক বাদে) ও ৩০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১২ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ১০ পয়সায়।

১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেমিনি সি ফুডের অনুমোদিত মূলধন ৪০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ১৪ লাখ ৮৫ হাজার ৪১৮। এর ৩০ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬০ দশমিক ৯১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও